Tue. Jul 5th, 2022

Welcome ! Add Story, Social Story, Etc.

Make Profile

Add Your Story/Social Story

Publish News, Views, Consciences, Etc. 


১৫-১০-২০২০, বৃহস্পতিবার, দেখছেন প্রতিদিনের রাতের সংবাদ LIVE | Cplus

১৫-১০-২০২০, বৃহস্পতিবার, দেখছেন প্রতিদিনের রাতের সংবাদ LIVE | Cplus ১৫-১০-২০২০, বৃহস্পতিবার, দেখছেন প্রতিদিনের রাতের সংবাদ LIVE | Cplus ১) নগরীর ...
View Full Story

ফটিকছড়িতে দুই সন্তানের জনককে ছুরিকাঘাতে হত্যা, আটক ২ | Cplus

ফটিকছড়িতে দুই সন্তানের জনককে ছুরিকাঘাতে হত্যা, আটক ২ | Cplus ====================================================== Subscribe Cplus TV: http://bit.ly/2MAb2Ny Subscribe Cplus TV প্রমিত রূপ: ...
View Full Story

বান্দরবানে চলমান সীমান্ত সড়কের কাজ শেষ হলে পার্বত্য জেলার নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী |

বান্দরবানে চলমান সীমান্ত সড়কের কাজ শেষ হলে পার্বত্য জেলার নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী | ====================================================== Subscribe Cplus TV: http://bit.ly/2MAb2Ny Subscribe ...
View Full Story

কাজীর দেউড়ির ছয়শ বছরের ঐতিহ্যবাহী মিরা পুকুর ভরাটের অভিযোগ | Cplus

কাজীর দেউড়ির ছয়শ বছরের ঐতিহ্যবাহী মিরা পুকুর ভরাটের অভিযোগ | Cplus ====================================================== Subscribe Cplus TV: http://bit.ly/2MAb2Ny Subscribe Cplus TV প্রমিত ...
View Full Story

How to Make a Successful YouTube Channel

How to Make a Successful YouTube Channel There is no doubt that the Internet overall and social media specifically have ...
View Full Story


Portraying All of your social stories from facebook, youtube, instagram, etc.

[*Select Category/Tag: 
Social Story
at Your Next Publish Screen.]


Add Your Social Story

944bbfb8c730e417ff72a6de6eb33753-5aca041342a33.jpg

বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিপুল সাফল্য এলেও বাস্তবতা হচ্ছে এখনও বৈদ্যুতিক আলোর সুবিধা দেশের প্রতিটি ঘরে পৌঁছেনি। সারাদেশের চাহিদার তুলনায় উৎপাদিত বিদ্যুতের পরিমাণ কম হওয়াই এর মূল কারণ। এ সমস্যা কাটাতে এবং শিল্প-বাণিজ্যের প্রসার ঘটাতে প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে বেশি করে বিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনা করছে সরকার। সার্কভুক্ত দেশগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতার অংশ হিসেবে ক্রসবর্ডার ইলেকট্রিসিটি ট্রেড বা আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ বাণিজ্যের প্রক্রিয়া ব্যাপকভাবে শুরুর চেষ্টা চলছে। এরই অংশ হিসেবে প্রতিবেশী চার দেশ ভারত-মিয়ানমার-নেপাল এবং ভুটান থেকে বিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনা করেছে বাংলাদেশ। এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ ২০৪১ সালের মধ্যে প্রতিবেশী চার দেশের কাছ থেকে ৯ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ আমদানির সঙ্গে এসব দেশের জল বিদ্যুৎ প্রকল্পে যৌথ বিনিয়োগেও আগ্রহী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর মধ্যে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার বা আট হাজার কোটি টাকা প্রতিবেশী দেশের জল বিদ্যুৎখাতে বিনিয়োগের অনুমোদন দিয়েছেন। সরকারের লক্ষ্য সফল করতে নেপাল ভুটান এবং ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের আলোচনা চলছে। একইসঙ্গে ভারতে যৌথ উদ্যোগে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ চলছে, সেখান থেকেও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ কিনবে।

এ বিষয়ে পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেইন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য বিদ্যুৎ অপরিহার্য। এই বিদ্যুৎ শুধু দেশে উৎপাদন করেই হবে না। পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে আমদানির চিন্তা করছে সরকার। এজন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এতে শুধু বিদ্যুৎই আসবে না পাশাপাশি দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।

জানা যায়, ২০২০ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ আমদানির পরিমাণ এক হাজার ২০০ মেগাওয়াটে উন্নীত হবে। পর্যায়ক্রমে যে প্রবৃদ্ধির কথা বলা হচ্ছে, তাতে ২০২১ এ বিদ্যুৎ আমদানি বেড়ে দাঁড়াবে ২ হাজার মেগাওয়াট,২০২৫-এ ২ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট, ২০৩০ সালে ৫ হাজার মেগাওয়াট আর ২০৩৫ সালে ৭ হাজার মেগাওয়াট এবং ২০৪১ সালে দাঁড়াবে ৯ হাজার মেগাওয়াট।

পিডিবির একজন কর্মকর্তা জানান, যৌথভাবে ভুটানের কুরি-১ প্রকল্পে বাংলাদেশ বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে। ভারত এবং নেপাল এবং বাংলাদেশ প্রকল্পটির সমান অংশীদার হবে। জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি এক হাজার ১২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে। এছাড়াও দেশটিতে গামারি-১ এর ৪৫ মেগাওয়াট এবং গামারি-২ এর ৮৫ মেগাওয়াট, নায়েরা আমারি-১ এ ১২৫ এবং নায়েরা আমারি-২ এ ৩১৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাংলাদেশ যুক্ত হতে পারে। জাইকা এসব প্রকল্পের সমীক্ষা করছে বলে তিনি জানান।

বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়,ভুটানের জিএমআর এর প্রকল্প থেকে বাংলাদেশ ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করবে। এখন আমদানির বিষয়ে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। আপার কারনালি-৯০০ মেগাওয়াটের কেন্দ্র নির্মাণ করছে জিএমআর। এছাড়া ভুটানের অন্য বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ আমদানির চেষ্টা করছে। ভুটান বেসরকারিভাবে কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে। এদিকে মিয়ানমারেও ৪০ হাজার মেগাওয়াট জল বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। এখন তারা ১০ হাজার মেগাওয়াটের কেন্দ্র নির্মাণের চেষ্টা করছে।

141 views

KAJal11samakal-5ac8dd94d0651.jpg

পানির ন্যায্য হিস্যা ও তিস্তা চুক্তির দাবিতে এবং আগ্রাসী পানি নীতির প্রতিবাদে ঢাকা থেকে তিস্তা অভিমুখে রোডমার্চ শুরু করেছে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)। শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে তিন দিনব্যাপী এই রোডমার্চ শুরু হয়। বাসদের সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান রোডমার্চের উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। বক্তারা বলেন, নদীকেন্দ্রিক সেচ ব্যবস্থায় গড়ে ওঠা কৃষিভিত্তিক বাংলাদেশ পানির অভাবে আজ হুমকির মুখে পড়েছে। ভারতের আগ্রাসী পানি নীতির কারণে শুস্ক মৌসুমের আগেই পানিপ্রবাহ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। নদীমাতৃক বাংলাদেশ আজ মরুকরণের দিকে ধাবিত হচ্ছে। দখল-দূষণে ১ হাজার ২০০ নদী কমে গিয়ে ২৩০-এ নেমে এসেছে। ব্যাহত হচ্ছে সেচ ব্যবস্থা। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাওয়ায় বিকল্প সেচ ব্যবস্থাও বিপর্যস্ত হয়ে আর্সেনিকের মাত্রা বাড়ছে। তারা বলেন, শুধু তিস্তার পানিই সমস্যা নয়, ভারতের সঙ্গে অভিন্ন ৫৪ নদীসহ ৫৭টি আন্তর্জাতিক নদীর পানি বণ্টনের সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করতে এবং অভিন্ন নদীর পানি সমন্ন্ব্বিত ব্যবস্থাপনা ব্যবহার উন্নয়ন রক্ষা করা এবং এ-সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য অববাহিকা কর্তৃপক্ষ গঠন করা প্রয়োজন। বক্তারা আরও বলেন, সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে তিস্তা চুক্তির বিষয়ে রাজি করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু আমরা মনে করি, তিস্তা চুক্তি হবে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে। এক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা প্রধান নিয়ামক হতে পারে না। মূলত মমতার অজুহাত দিয়ে তিস্তা চুক্তি ঝুলিয়ে রেখে অন্যান্য স্বার্থ হাসিলের ষড়যন্ত্র করছে ভারত। নীতিমালা লঙ্ঘন করে বাংলাদেশের স্বার্থ বিবেচনায় না নিয়ে সব আন্তর্জাতিক নদী থেকে পানি প্রত্যাহার করছে, যা আমাদের কৃষিভিত্তিক গ্রামীণ সমাজকে ধ্বংসের পাশাপাশি জিডিপি প্রবৃদ্ধিকে নিম্নমুখী করছে। প্রথম দিন শনিবার সিরাজগঞ্জ হয়ে বগুড়ায়, রোববার গাইবান্ধা হয়ে রংপুরে রাতযাপন করে সোমবার জলঢাকায় তিস্তা ব্যারাজে এ রোডমার্চ শেষ হবে।

146 views

বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের খ্যাতনামা অভিনেত্রী ববিতা। অস্কারজয়ী নির্মাতা সত্যজিৎ রায়ের ‘অশনি সংকেত’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র অঙ্গনে প্রশংসিত হন। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে আড়াই শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। ১৯৭৬ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রবর্তনের পর টানা তিনবার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতেছেন। প্রযোজক হিসেবেও পুরস্কার পেয়েছেন। জহির রায়হান পরিচালিত ‘সংসার’ ছবিতে প্রথম রাজ্জাক-সুচন্দার মেয়ের ভূমিকায় অভিনয় করেন তিনি। ১৯৬৯ সালে একই পরিচালকের ‘শেষ পর্যন্ত’ ছবিতে নায়িকা হিসেবে প্রথম অভিনয় করেন। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৬’ আয়োজনে বরেণ্য এই অভিনেত্রীকে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হবে। যুগ্মভাবে আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন চিত্রনায়ক ফারুক। আজীবন সম্মাননা পাওয়া আর চলচ্চিত্র নিয়ে আজ রোববার দুপুরে প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

আপনাকে অভিনন্দন।
ধন্যবাদ।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের এবার আপনাকে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হবে। কেমন লাগছে?
জাতীয় পুরস্কারের আবেদন অন্য রকম। সারা জীবনের কর্মের স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে, এটা তো সাংঘাতিক সুখের। এ আবেগ প্রকাশ করার মতো না। এখন মনে হচ্ছে, এই চলচ্চিত্রের জন্য, আমার দেশের জন্য আমি কিছু করতে পেরেছি।

চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। অর্জন করেছেন অনেক সম্মাননা। এই সেক্টরে কাজ করে কতটা গর্বিত আপনি?
আমি যে ববিতা হয়েছি, তা শুধু চলচ্চিত্রে অভিনয় করে। অবশ্যই আমি গর্ববোধ করি। যে বয়সে চলচ্চিত্রে এসেছি, তখন থেকে আমার ইচ্ছে ছিল, দেশ-বিদেশের বড় বড় উৎসবে অংশ নেব। দেশ স্বাধীন হওয়ার আগে বিদেশি উৎসবগুলোয় পশ্চিম পাকিস্তানের শিল্পী-কলাকুশলীরা অংশ নিতেন। আমাদের এখানে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের বঞ্চিত করা হতো। তা জানার পর আমার মনে জেদ হয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর অল্প বয়সে বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে বিভিন্ন দেশ আর বড় বড় উৎসবে অংশ নিয়েছি। সেখানে বলেছি, ‘আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি। আমি বাংলাদেশি।’ আমার একটা প্লাস ছিল, সত্যজিৎ রায়ের নায়িকা ববিতা। দেশের পতাকা নিয়ে ববিতা বিভিন্ন দেশ এবং উৎসবে অংশ নিয়েছে, এ তো অদ্ভুত সুখের অনুভূতি।
ববিতা। ছবি: প্রথম আলোববিতা। ছবি: প্রথম আলো

যুগ্মভাবে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হচ্ছেন।
দেখছি কেউ কেউ এই ব্যাপারটিকে একটু নেতিবাচকভাবে প্রচার করছে। আমি কিন্তু মোটেও সেভাবে দেখছি না। দেখুন, যখন একুশে পদক কিংবা স্বাধীনতা পদক দেওয়া হয়, তখন একজনকে দেওয়া হয় না। একসঙ্গে কয়েকজনকে সম্মাননা দেওয়া হয়। তাহলে ওই পুরস্কারের মূল্য কমে যাবে? সরকার যদি মনে করে, তাহলে যুগ্মভাবে পুরস্কার দিতেই পারে। গত বছরও দেখেছি শাবানা আপা ও ফেরদৌসী আপাকে (ফেরদৌসী রহমান) যুগ্মভাবে আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

যে চলচ্চিত্র আপনাকে ববিতা বানিয়েছে, তার খবর রাখেন?
মাঝে একটা খারাপ সময় পার করেছে আমাদের চলচ্চিত্র। শুনছি, এখন কিছু ভালো ছবি হচ্ছে। কেউ কেউ চেষ্টা করছেন ভালো ছবি বানানোর। আশা করছি, সামনে আরও ভালো ছবি হবে। যা আমরা ভাবছি, চলচ্চিত্রের যা নিয়ে কষ্ট পাচ্ছি, তা ঠিক হয়ে যাবে। ইদানীং চলচ্চিত্রের শিল্পী আর কলাকুশলীদের মধ্যে বিভাজনের খবর পাই। এ ব্যাপারটি সত্যি অনেক কষ্ট দেয়।

এই যে বিভাজনের খবর শোনেন, তাঁদের সবার উদ্দেশে আপনি কী বলবেন?
এটা মোটেও ভালো না। আমাদের সময় তা একেবারই ছিল না। আমাদের পরের প্রজন্মের কাছ থেকেও শুনিনি। কাজ নিয়ে শিল্পী আর কলাকুশলীদের মেতে থাকতে দেখেছি। চলচ্চিত্রে এখন শিল্পী ও কলাকুশলীরা ভাগ হয়ে আছে। ইদানীং তো এমনও শুনছি, শিল্পীদের অনেকেই নাকি কেউ কারও মুখ পর্যন্ত দেখে না। এখন শিল্পীদের মধ্যে ভালোবাসার অভাব। একটা সুন্দর পরিবেশ তৈরি করতে হলে ভালোবাসা ছড়িয়ে দিতে হবে। যারা ভালো কাজ করছে, তাদের সমর্থন ও উৎসাহ দিতে হবে। অভিনয়শিল্পীরা হচ্ছে ফুল, তাদের মধ্যে কেন দলাদলি হবে! এটা উচিত না। বন্ধ করতে হবে।
ববিতা। ছবি: প্রথম আলোববিতা। ছবি: প্রথম আলো

আপনাকে দেখি ফেসবুকে বেশ সরব।
আমি কিন্তু সেই ফেসবুকের মানুষ না। অন্য কেউ ওটা ববিতা বলে চালিয়ে যাচ্ছে। আমি নিজে ফেসবুক পছন্দ করি না। এর আগে কয়েকবার আপত্তি করেছি। মাঝেমধ্যে অন্যদের মাধ্যমে দেখি যে আমার ওই আইডিতে নানা সময়ের ছবি আপলোড করা হচ্ছে। এতে আমার ভক্তরা বিভ্রান্ত হচ্ছেন। আমার মনে হয়, ফেসবুকে অনেক সময়ও নষ্ট হয়। এমনও শুনেছি, ফেসবুকের দেওয়া পোস্ট নিয়ে নাকি অকারণে বন্ধু আর পরিচিতজনদের মধ্যে ভুল–বোঝাবুঝি হয়। শুধু তা-ই নয়, দেখেছি কোনো বাসায় বা অনুষ্ঠানে গেলে সবাই হাতে থাকা স্মার্টফোনে ফেসবুক নিয়ে ব্যস্ত থাকে। পাশে কারও সঙ্গে তাদের কথা বলার সময় হয় না। নিজের ঘরের মধ্যে অনেকেই বন্দী হয়ে স্মার্টফোন নিয়ে ব্যস্ত থাকে। সব মিলিয়ে আমি বলতে পারি, ফেসবুক কাছের মানুষকে দূরে সরিয়ে দেয়।

182 views
162043Soudia-prince.jpg

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরে রয়েছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক দুই প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ এবং তার ছেলে জর্জ ডব্লিউ বুশের সঙ্গে দেখা করেছেন। সৌদি যুবরাজ বুশদের টেক্সাসের বাড়িতে দেখা করেন বলে জানা গেছে।

11ec1d778836443b8b866abb7626e179-11ec1d778836443b8b866abb7626e179-5e1dbd62163b43249d2d70c5a4ca8811-87b3a.jpg

সাক্ষাত শেষে সিনিয়র বুশ টুইটবার্তায় জানান, দুই রাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব উদযাপন করার সুযোগ পেয়ে তিনি অভিভূত ও আনন্দিত।

প্রসঙ্গত, সিনিয়র বুশ ছিলেন দেশটির ৪১তম প্রেসিডেন্ট। তার আমলে ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন কুয়েতে হস্তক্ষেপ করেন। এরপর ইরাকের বিরুদ্ধে অপারেশন ‘ডেজার্ট স্টর্ম’ শুরু করেন বুশ। এতে প্রায় ৫০ হাজার ইরাকি নিহত হন।

মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে সিনিয়র বুশের সাক্ষাতের সময় তার ছেলে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৩তম প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিম বাকের উপস্থিত ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডব্লিউ বুশ সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের কথা বলে আফগানিস্তান ও ইরাকে হামলা করেন। এতে লাখ লাখ বেসামরিক লোক নিহত হয়েছেন।

সূত্র: আল আরাবিয়া

117 views

sharif-6-768x432.jpg

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, ‘আমরা প্রাদেশিক সরকারব্যবস্থা করতে চাই। চট্টগ্রাম উপ-দেশ হবে। কারো প্রতি চেয়ে থাকতে হবে না। আপনারা আপনাদের উন্নয়ন করবেন।’ ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণে ৭টি প্রদেশ করা হবে। চট্টগ্রামের নাম হবে ‘চট্টলা’। আপনারা না চাইলে ভিন্ন কথা। ১৬ কোটি মানুষকে একজন শাসন করবে, হতে পারে না। পৃথিবীর কোথাও এই শাসনব্যবস্থা নেই। নির্বাচন পদ্ধতির সংস্কার দাবি করে করে এরশাদ বলেন, এখন তো নির্বাচন হয় না। সিল মারা হয়। তা বন্ধ করতে হবে।

গতকাল বিকেলে লালদীঘির মাঠে সম্মিলিত জাতীয় জোটের মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন জাতীয় জোট ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

এইচএম এরশাদ বলেন, অনেক ভাঙা-গড়ার মধ্যে দিয়ে জাতীয় পার্টি গড়ে ওঠেছে। আজকে মোমবাতি দেখে শক্তি সঞ্চায় করেছি। এবার আল্লাহ রহমতে এই শক্তি নিয়ে আগামীতে আমরা সরকার গঠন করবো। জনগণের কাছে দোয়া চেয়ে এরশাদ বলেন, মানুষের খেদমত করতে সর্বোপরি ইসলামের খেদমত করতে আল্লাহ যেন আমাকে তৌফিক দান করেন।

মুসলমান হিসেবে গর্বিত ও সৌভাগ্যবান বলে জাপা চেয়ারম্যান বলেন, আমরা মহানবী (স.) এর উম্মত। এর চেয়ে বড় গর্ব আর কিছুই হতে পারে। মহানবী (স.) ছিলেন রহমতুল্লাহ আলামিন। আমরা তাঁর অনুসারী, তাঁর উম্মত। যিনি মিথ্যার ওপর সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। বৈষম্যের ওপর সাম্য প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। যারা অকল্যাণ করে, জুলুম করে তারা উম্মতে মুহাম্মদী হতে পারে না। আমার মুখ ও হাত থেকে যেন অন্য মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত না হয় তাহলেই আমরা উম্মতে মুহাম্মদী হতে পারবো।

আমরা সংগ্রামে নেমেছি কেন ? এই প্রশ্ন তুলে এরশাদ বলেন, ‘মানুষকে মুক্তি দেওয়ার জন্য। ন্যায় বিচার, সুশাসন প্রতিষ্ঠিত করার জন্য। মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য।

আমাদের বলা হয় সন্ত্রাসী। সন্ত্রাসী বলতে ইসলামে কোনো কথা নেই। জিহাদ আছে। জিহাদ ফরজ করা হয়েছে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করাকে জিহাদ বলে। আমরা সন্ত্রাসী নই। সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়েছে পশ্চিমা দেশগুলো। ইরান, লিবিয়া, আফগানিস্তান ধ্বংস করেছে। এখন ইসলামকে ধ্বংস করেছে। নির্বিচারে বন্দী করে মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। তারা আমাদের শত্রু।

দেশে নির্মিত ফ্লাইওভার বড় মানুষের জন্য উল্লেখ করে এইচ এম এরশাদ বলেন, একজন রিক্সাওয়ালা তো ফ্লাইওভারে ওঠতে পারে না।

উন্নয়নের মহাসড়কে চলেছে মানুষ। কিন্তু উন্নয়নে এত খানা-খন্দ কেন, এত খাল-বিল কেন। টাকাগুলো গেল কোথায়। কার পকেটে গেল। দুর্নীতির মহাসড়কে হাবুডুবু খাচ্ছি আমরা। উদ্ধার করতে হবে। ১৬ কোটি মানুষকে উদ্ধার করতে হবে। আমরাই তাদের উদ্ধার করতে হবে।

জাপা চেয়ারম্যান এরশাদ বলেন, উনি তো ১০ টাকা কেজিতে চাল খাওয়ানো কথা দিয়েছিলেন। সবার ঘরে ঘরে চাকরি দেবেন। এখন চালের দাম ৬০-৭০ টাকা। একজন রিক্সচালক, শ্রমিক দিনে ৩শ টাকা। এখন কি ৬০-৭০ টাকায় চাল কিনে খাওয়া তার পক্ষে কি সম্ভব। তারা সুখে আছেন। যারা ঢাকায় থাকেন। ঢাকার বাইরের অবস্থা দেখেন না তারা। ঢাকা নিয়ে ব্যস্ত। কাজ নেই। দেশে সরকারি হিসাবে বেকার ৪ কোটি ৮৬ লাখ। তারা সমাজ ও সংসারের বোঝা। তারা মাদকের আশ্রয় নেয়। চায়ের দোকানের ইয়াবা পাওয়া যায়। আমার সময় তো ইয়াবা ছিল না। কেন এই অবস্থা। কেন এই অবক্ষয়।

১৪ বছর বয়স হলে মা-বাবা অস্থির থাকে। কখন তার মেয়ে ধর্ষিত হয়। স্কুলে গিয়ে ঘরে ফিরে আসতে পারবে কিনা। রাস্তায় ধর্ষিত হয়, তার মৃতদেহ পাওয়া যায় ধান ক্ষেতে। এই সমাজে মানুষ বাস করবে কি করে। মানুষ পরিবর্তন চায়।

এরশাদ বলেন, ঋণ খেলাপি, ব্যাংক খেলাপি। ব্যাংকে টাকা নেই। টাকাগুলো কার পকেটে গেছে। তাদের বিচার কেন করা হচ্ছে না। অথচ কৃষকের ঋণ নেই। ঋণ পরিশোধ করতে না পারলে জেলে যেতে হয়। যারা কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে তাদের কি হবে। তাদের কেন বিচার হয় না। গবির লোকদের ৫ টাকা পরিশোধ না করলে তার ঘর বাড়ি উচ্ছেদ করা হয়। এই হল বিচার। এভাবে মানুষ বাঁচতে পারে না। নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যায়। মানুষ সরকার পরিবর্তন চায়।

শেয়ার বাজার ধ্বংস। বাংলাদেশ ব্যাংক লুট করা হয়েছে। যা পৃথিবীর কোথাও হয় না। আমাদের দেশে হয়েছে। ৫০০ কোটি টাকা নিয়ে গেল। নাম জানতে পারলাম না। আপনারা জড়িত আছে। আমরা জানি তারা কে। তারা প্রকাশ করবে না।

আমাকে বলা হয় স্বৈরাচার। একটি মানুষও মরে নাই, হাতে রক্ত নাই। এখন আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশকে স্বৈরাচার রাষ্ট্র বলেছে। এখন কি বলবেন। লজ্জায় মুখ ঢাকবেন না। লজ্জা তো নেই। সে এখনো বড় বক্তৃতা দেন। আমরা স্বৈরাচার নই। দুর্নীতিতে ৫ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে দুই সরকার।

দেশের মানুষের নিরাপত্তা নেই উল্লেখ করে সাবেক এই রাষ্ট্রপতি বলেন, মানুষ নেই, নেই। মানুষকে ঘুম-খুন করা হচ্ছে। কেউ বলতে পারে না। আবার কয়েকদিন পর ধান ক্ষেতে লাশ পাওয়া যায়। একমাত্র আল্লাহ জানে আর প্রধানমন্ত্রী জানে। আর কেউ জানে না।

ইসলামী ফ্রন্টের মোমবাতি প্রতীকের বিষয়ে তিনি বলেন, দুই শক্তি এক হলে অপ্রতিরোধ্য শক্তিতে কেউ আটকাতে পারবে না। আমরা এগিয়ে যাবো। সরকার পরিবর্তন করবো। ক্ষমতায় যাবো।

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াস সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুকে চট্টগ্রাম-৯ (বাকলিয়া- কোতোয়ালী) আসনের আগামী নির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করে জাপা চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ বলেন, বাবলু আমার ছেলে ছিল। এখনো আমার ভাগ্নে জামাই। তিনি তো ভাল কাজ করেন। দ্বিতীয়বার ভোট দিয়ে তাকে এমপি করতে হবে। বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মহাসচিব এম এ মতিনকে বাবলুর জন্য আগামী নির্বাচনে একসঙ্গে কাজ করার নির্দেশনা দেন তিনি।

নির্বাচন পদ্ধতির সংস্কার দাবি করে এরশাদ বলেন, এখন তো নির্বাচন হয় না। সিল মারা নির্বাচন হয়। সিল মারা বন্ধ করতে শক্তি অর্জন করতে হবে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে লোক থাকতে হবে। নির্বাচনে করে ক্ষমতায় আসতে হবে।

আল্লাহ-ই জানে কালকে আবার জেলে যেতে হয় কিনা। তিনি আরও বলেন, শিক্ষা পচে গেছে। শিক্ষা বলতে কিছুই নেই। জিপিএ-৫। নিজের নাম লিখতে পারে না। আগে পাস করা কঠিন ছিল। এখন ফেল করা কঠিন। সবাই পাস করে। না করে শিক্ষামন্ত্রীর চাকরি থাকবে না। এই শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে আমরা এগিয়ে যেতে পারব না।

জাতীয় পার্টির ক্ষমতাকালে চট্টগ্রামের উন্নয়নের বিষয়ে এরশাদ বলেন, আমরা ক্ষমতায় থাকতে জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ, চা বোড, শিপিং করপোরেশনের প্রধান কার্যালয়, দ্বিতীয় কর্ণফুলী সেতু, রাউজানে বিদ্যুৎকেন্দ্র, কাফকো, সিইউএফএল করেছিলাম। চট্টগ্রামকে দ্বিতীয় রাজধানী করার চেষ্টা করেছিলাম। চট্টগ্রামের মানুষ আল্লাহকে ভালবাসে। আমরা আল্লাহকে চাই। দোয়া চাই। যতদিন বেঁচে থাকি মানুষের খেদমত করতে চাই। আপনারা যদি সঙ্গে থাকেন, আগামী নির্বাচনে জয়ী হয়ে আবারও সরকার গঠন করে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করবো।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করবেন ইসলামী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান আল্লামা এম এ মান্নান। বক্তব্য রাখবেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমীন হাওলাদার, বন ও পরিবেশমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু এমপি, ইসলামী ফ্রন্টের মহাসচিব এম এ মতিন, ইসলামী ফ্রন্টের মহাসমাবেশের সমন্বয়ক মাওলানা আবদুস সামাদ, আবু সুফিয়ান আবেদী আলকাদেরী, সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম, সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, জাতীয় পার্টির সুনীল শুভরায়, জাপার এম এ ওয়াহিদ ফারুক, মো. ইলিয়াছ এমপি, বিএনএ’র চেয়ারম্যান সেকান্দর আলী মনি, দক্ষিণ জেলা জাপার সাধারণ সম্পাদক নুরুচ্ছফা সরকার, অধ্যাপক মাসুদা এম রশিদ এমপি, উত্তর জেলা জাপার সিনিয়র সহ-সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন আকবর, দিদারুল কবির চৌধুরী, ইসলামী ফ্রন্টের প্রেসিডিয়াম সদস্য গাজী এম এ ওয়াহিদ সাবুরী, সাবেক এমপি সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, সামশুল আলম মাস্টার, মাহজাবীন মোরশেদ এমপি, নগর জাপার সামশুল আলম দুলাল, ইসলামী ফ্রন্টের হারুনুর রশিদ রেজভী প্রমুখ।

125 views

P-1-2-4-696x402.jpg

বিএনপি নির্বাচনে না এলে জাপা ও এরশাদের নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত জাতীয় জোট প্রস্তুত। ভাবে ভাষায় এমনটাই জানান দিচ্ছেন এরশাদ জাপার শীর্ষ নেতারা। এরশাদ ক্ষুদ্র ইসলামী দলগুলোর কয়েকটি নিয়ে সম্প্রতি গঠন করেছেন সম্মিলিত জাতীয় জোট। এতে আছে ইসলামী ফ্রন্টের মান্নান–মতিন গ্রুপ ও আরো অখ্যাত ২০/২২টি দল। এজোট বিএনপির আদলে গড়া বিরোধী জোট। আগামী নির্বাচনে বিএনপি নিয়ে শূন্যতা সৃষ্টি হলে এ জোটই হবে শূন্যস্থান পূরণের জোট। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই এগুচ্ছেন এরশাদ।

গতকাল লালদীঘি মাঠে জাতীয় পার্টি ও ইসলামী ফ্রন্টের নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত জাতীয় জোটের মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। এতে সরকারের বিরুদ্ধে সরকারের ভেতরে থাকা জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান তোলেন নানা অভিযোগ। বলেন সব এখন একজনের কথায় চলছে। বাংলাদেশের মতো ব্যাংক ডাকাতি আর কোথাও হয়নি। সরকার চালায় এখন শুধু একজন। আমরা একক সরকার চাই না। এখন নির্বাচন হয় না, সীল মারা হয়। বলেন নির্বাচন কেন্দ্র পাহারা দিতে হবে। প্রস্তুত থাকতে হবে, দেশকে উদ্ধার করতে হবে। পরিবর্তন করতে হবে দেশকে।

বিশ্লেষকদের মতে এরশাদের এ বক্তব্য একইসাথে রাজনৈতিক যোগাযোগ ও নির্বাচনী প্রচারণার অংশ। সরকারের সাথে থেকে সরকারের কড়া সমালোচনা, নির্বাচনী প্রতারণার অভিযোগ, ইসলামী কয়েকটি দল নিয়ে জোট গঠন–এসব কিছুই শূন্যতায় শূন্যস্থান পূরণের প্রস্তুতি। বিএনপির শীর্ষ নেতাদের অভিযোগ সরকার বিএনপিকে ক্ষমতার বাইরে রাখতে চায়। তারা মনে করেন বেগম জিয়ার কারাদণ্ড, ধরপাকড়, বিএনপি নেতাকর্মীদের দাঁড়াতেই না দেয়া সব কিছুতেই লুকায়িত রয়েছে কৌশল। পরিস্থিতি তৈরি হয়ে যাবে বিএনপির জন্য। বিএনপির ধারণা সরকারই চায় না বিএনপি নির্বাচনে আসুক।

মূলত বিএনপি এখন কারাঅন্তরীণ খালেদায় ব্যস্ত। শীর্ষ নেতারাও মামলা ও দুদকের তদন্তে ক্লান্ত প্রায়। নির্বাচন এগিয়ে আসছে। বিএনপির প্রস্তুতিও তেমন দৃশ্যমান নয়।

বরং নির্বাচনী প্রচারণায় মাঠে আওয়ামী লীগ। প্রধানমন্ত্রী দেশের বিভিন্নস্থানে সভা সমাবেশে ভোট চাইছেন। মন্ত্রী এমপিরা পাচ্ছেন বিশেষ নির্বাচনী বরাদ্দও। জাতীয় পার্টিও একই আবহে। নির্বাচনী আমেজে প্রচারণায় ব্যস্ত। ভোট চাওয়া জোট গড়া মূলতই বিএনপি জোটের আদলে তৈরি হওয়া এবং জানান দেওয়া যে, বিএনপি জোটের শূন্যতা তৈরি হলে এরশাদের জোটে তা পূরণ হবে। এমনটি মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

 

209 views
eb079949119ec11117849237b7860604-5ac9e72a5ff04 (1).gif

এখন কী করছেন? ই-মেইলে প্রশ্নটা ছিল দেবযানী ঘোষের গবেষণা আর পড়াশোনার ব্যাপারে। ফিরতি মেইলে চলে এল উত্তর, ‘এখন আমি জিরো এমিসন (কার্বন নিঃসরণমুক্ত) বৈদ্যুতিক উড়োজাহাজের সম্পূর্ণ নতুন একটি হাইব্রিড সিস্টেম তৈরি করছি। সেই সঙ্গে পরবর্তী প্রজন্মের এইচওয়াই-৪ উড়োজাহাজের বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ করছি।’ এ ছাড়া দেবযানী এখন জার্মানির উলম বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনিভার্সিটিতে পাওয়ার ইলেকট্রনিকস বিষয়ে ক্লাসও নিয়ে থাকেন।

২০১৬ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর দিনটি ফিরে দেখা যাক। দিনটি স্মরণীয় হয়ে থাকবে দেবযানীর জন্য। আবার বিশ্বের বেসামরিক বিমান চলাচল ইতিহাসেও একটি অনন্য দিন। জার্মানির স্টুটগার্ট বিমানবন্দরে চার আসনের যাত্রীবাহী বিমান এইচওয়াই-৪ সফলভাবে সেদিন উড়াল দেয়। এটি হচ্ছে পৃথিবীর প্রথম কার্বন নিঃসরণমুক্ত বিমান। চলবে জ্বালানি কোষ ও ব্যাটারির সাহায্যে। চট্টগ্রামের মেয়ে দেবযানী ঘোষ এইচওয়াই-৪ উড়োজাহাজ তৈরিতে জড়িত। কার্বন নিঃসরণমুক্ত এই উড়োজাহাজ তৈরির বৈজ্ঞানিক অংশটির নেতৃত্বে আছে জার্মান অ্যারোস্পেস সেন্টার (ডিএলআর)। গবেষণার প্রধান অংশীদার ইউনিভার্সিটি অব উলম। এই ইউনিভার্সিটি অব উলমের গবেষণা দলে পিএইচডি গবেষক হিসেবে কাজ করছেন দেবযানী ঘোষ।

দেবযানী বলছিলেন, ‘নতুন কোনো প্রযুক্তি ব্যবহার উপযোগী করতে দীর্ঘ গবেষণা লাগে। গবেষণায় সফলতা এলে আরও অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। এখন আমরা এইচওয়াই-৪ বিমান নিয়ে সে কাজটাই করছি। বাণিজ্যিক ফ্লাইটের উপযোগী কার্বন নিঃসরণমুক্ত উড়োজাহাজ নির্মাণের কাজ চলছে এখন।’ বললেন দেবযানী।

প্রসঙ্গত বলে রাখি, দেবযানী এইচওয়াই-৪ উড়োজাহাজের বৈদ্যুতিক ইঞ্জিন নিয়ে গবেষণা করছেন। বই পড়তে ভালোবাসেন তিনি। তাই তো প্রতিদিন কিছুটা সময় বের করে চেষ্টা করেন বই পড়তে। ছবি আঁকতেও পছন্দ করেন।

আরও বড় এক কাজের সঙ্গে জড়িত দেবযানী। বেশ কয়েক বছর থেকে জার্মান প্রবাসে (www. germanprobashe. com) নামের একটা ওয়েব পোর্টাল চালাচ্ছেন। কেমন চলছে? দেবযানী বললেন, ‘অত্যন্ত ভালো। প্রতি মাসে ৫০ হাজারের বেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী আমাদের ওয়েবসাইট থেকে বিভিন্ন তথ্য জানতে পারছেন। একজন শিক্ষার্থী জার্মানিতে পড়তে আসার জন্য কী কী পদক্ষেপ নেবেন, তা এখান থেকে জানা যায়। পাশাপাশি কোর্স বা বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন, আবেদন প্রক্রিয়া, ভিসার জন্য সাক্ষাৎকার, আসার পর করণীয় কাজ, শিক্ষার্থীদের জন্য চাকরি খোঁজা ইত্যাদি অ থেকে চন্দ্রবিন্দু পর্যন্ত সব তথ্যই আছে জার্মান প্রবাসে ওয়েবসাইটে।’ এর বাইরেও এই সাইটে জার্মানিতে থাকা প্রবাসী বাঙালিদের জন্যও রয়েছে জীবনযাপনের জন্য দরকারি নানা তথ্য। কোথায় কী জিনিস কেনা যায়, ড্রাইভিং লাইসেন্স, বিমা, দেশে টাকা পাঠানো, ঘোরাঘুরি, চাকরি খোঁজা, ব্লু কার্ড ইত্যাদি বিষয়ে নিবন্ধ থাকে জার্মান প্রবাসেতে। দেবযানী জানালেন, এই ওয়েবসাইটের বেশির ভাগ লেখকই জার্মানপ্রবাসী।

এইচওয়াই-৪ হাইব্রিড বৈদ্যুতিক উড়োজাহাজ বর্তমানে কী অবস্থায় রয়েছে? দেবযানী বললেন, এইচওয়াই-৪-এর প্রাথমিক সফল উড্ডয়ন ছিল গোটা কাজের শুরু। এরপর বিশ্বের অনেক প্রযুক্তি সম্মেলন ও মেলায় উড়োজাহাজটি দেখানো হয়েছে। যোগ করলেন, ‘এ মুহূর্তে একটা ইউরোপীয় প্রকল্প এবং জার্মানির একটা জাতীয় প্রকল্পের অধীনে আমরা এরপরের প্রজন্ম নিয়ে কাজ করছি।’

এখনকার কাজ নিয়ে আরও কিছু তথ্য দেন দেবযানী। ইউরোপীয় প্রজেক্ট মাহেপাতে (mahepa. eu) বিশ্বে প্রথমবারের মতো একই সঙ্গে দুই ধরনের সিরিয়াল হাইব্রিড পাওয়ারট্রেনের উড্ডয়ন পরীক্ষা করা হবে। এই দুটি হলো জ্বালানি কোষচালিত এইচওয়াই-৪ এবং বিকল্প জ্বালানিচালিত প্যান্থেরা।  প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ভবিষ্যতে কার্বন নিঃসরণমুক্ত (এমিসন ফ্রি) উড়োজাহাজ বাজারজাত করার প্রযুক্তি ও রোডম্যাপ তৈরি করা। প্রকল্পের সদস্য দেবযানী বলেন, ‘২০২০ সালে প্রথমবারের মতো এই দুটি উড়োজাহাজের উড্ডয়ন পরীক্ষা করা হবে।’

এইওয়াই-৪ বিমানের বর্তমান পর্যায়ে শক্তির ব্যবস্থাপনা (পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম) নিয়ে কাজ করেন দেবযানী। এই ব্যবস্থার প্রধান কাজ হলো উড়োজাহাজের বিভিন্ন ধাপের চাহিদা অনুযায়ী এক বা একাধিক জ্বালানি উৎস নির্বাচন করা এবং প্রপেলারে প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ করা। এটি বিমানের অন্যতম কেন্দ্রীয় অংশ। যেটি বিমানের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ অংশকে সর্বক্ষণ পর্যবেক্ষণ করবে। আপৎকালীন পরিস্থিতিতে বিমান যাতে নিরাপদে অবতরণ করতে পারে, তা নিশ্চিত করবে। প্রচলিত প্রযুক্তির বাইরে নতুন একটি হাইব্রিড ব্যবস্থা উন্নয়নের চেষ্টা করছেন দেবযানী।

এই তরুণ বিজ্ঞানীর জন্ম ১৯৮৮ সালের ৩০ অক্টোবর। দুই বোনের মধ্যে দেবযানী বড়। দেবযানী চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিকস প্রকৌশলে স্নাতক হওয়ার কিছুদিন পর চলে যান জার্মানি। পিএইচডি করছেন সেখানকার ইউনিভার্সিটি অব উলমে। দেবযানীর বাবা দীপক কুমার ঘোষ এবং মা ইন্দিরা ঘোষ দুজনই শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। দেবযানী বললেন, ‘সত্যি কথা বলতে গেলে বাংলাদেশে মৌলিক গবেষণা বেশ কম হয়। তবে ইদানীং এই ধারার পরিবর্তন হচ্ছে। মেয়েদের অংশগ্রহণও বাড়ছে।’

আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে মূলধারার গবেষণায় বাংলাদেশের নামকে উজ্জ্বল করতে চান দেবযানী ঘোষ। ‘আমরা জানাতে চাই বাংলাদেশ শুধু বন্যা, জলোচ্ছ্বাসের দেশ নয়, বরং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সাম্প্রতিকতম উদ্ভাবনেও এ দেশের ভূমিকা রয়েছে।’

73 views

0dd13209b80a42ae8f47947ad6b601de-BB-Bank.jpg

চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ এলাকার ব্যাংকগুলোর সব শাখা দিন-রাত (২৪ ঘণ্টা) খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রবিবার(৮ এপ্রিল) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অব সাইট সুপারভিশন থেকে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
দেশের সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীর কাছে পাঠানো নির্দেশনায় চট্টগ্রাম বন্দর/কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আগ্রাবাদ এলাকায় অবস্থিত সব ব্যাংক শাখা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণপূর্বক সপ্তাহে সাত দিন ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের থেকে সম্প্রতি ব্যাংক খোলা রাখার বিষয়ে একটি চিঠি পাওয়ার পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, ব্যাংকগুলো প্রয়োজনে চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক আলোচনা করে সংশ্লিষ্ট শাখা খোলা রাখার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবে।

179 views
bg20180406225122.jpg

ঐতিহাসিক জব্বারের বলী খেলার ১০৯তম আসর আগামী ২৫ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। খেলার আগে ও পরে মিলে তিন দিনের বৈশাখী মেলা বসবে লালদীঘির আশপাশে এক বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে।

শুক্রবার (৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় আবদুল জব্বারের বলীখেলা ও বৈশাখী মেলা কমিটি প্রস্তুতি সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।

ওয়ার্ড কাউন্সিলর জহরলাল হাজারীর সভাপতিত্বে বদরপাতির জব্বার হাউসে অনুষ্ঠিত সভায় আগামী ২১ এপ্রিল থেকে বলীখেলায় অংশ নিতে আগ্রহীদের রেজিস্ট্রেশনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সভায় বক্তব্য দেন বৈশাখী টিভি’র ব্যুরো প্রধান মহসিন চৌধুরী, চ্যানেল আই’র ব্যুরো প্রধান চৌধুরী ফরিদ, চ্যানেল ২৪ এর ব্যুরো প্রধান কামাল পারভেজ।

ঐতিহ্যবাহী খেলা ও মেলা আয়োজনের বিভিন্ন দিক কমিটির পক্ষে আলোচনা করেন মেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শওকত আনোয়ার বাদল, চসিকের প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, কাউন্সিলর ইসমাইল বালী, সংরক্ষিত কাউন্সিলর আনজুমান আরা বেগম, সাবেক কাউন্সিলর এমএ মালেক, মুহাম্মদ জামাল হোসেন, সাবেক সংরক্ষিত কাউন্সিলর রেখা আলম চৌধুরী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব পংকজ বৈদ্য সুজন, নুর মোহাম্মদ লেদু, সৈয়দ আবুল হাশেম, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, নওশাদ আলী খান প্রমুখ।

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য ১৯০৯ সালে লালদীঘির মাঠে এ বলীখেলার আয়োজন করেছিলেন বদরপাতির আবদুল জব্বার সওদাগর।

97 views
sm20180408134637.jpg

‘চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন’ শীর্ষক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) সঙ্গে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের সমঝোতা স্মারক সই হচ্ছে সোমবার (৯ এপ্রিল)।

এ অনুষ্ঠানের দাওয়াত নিয়ে নগর ভবনে মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম। নানা ইস্যুতে দুই প্রতিষ্ঠান প্রধানের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল।

রোববার (৮ এপ্রিল) দুপুরে মেয়রের দফতরে আসেন  সিডিএ চেয়ারম্যান।  এ সময় হাসিমুখে অভ্যর্থনা জানান মেয়র।  তারপর দুইজনে একান্তে কিছুক্ষণ কথাবার্তা বলেন।

মেয়র বাংলানিউজকে বলেন, রাত ১২টার দিকে ছালাম ভাই (সিডিএ চেয়ারম্যান) ফোন দিয়ে বলেছিলেন দেখা করতে আসবেন। তিনি জলাবদ্ধতা প্রকল্পের সমঝোতা স্মারক সইয়ের দাওয়াত নিয়ে এসেছেন। একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমি অবশ্যই ওই অনুষ্ঠানে যাব।

এক প্রশ্নের উত্তরে মেয়র বলেন, নগরীর সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান সমন্বয় করবে সিটি করপোরেশনের সঙ্গে। এ সমন্বয় যত বেশি হবে তত উন্নয়ন প্রকল্পগুলো টেকসই হবে, জনদুর্ভেোগ লাঘব হবে, পরিকল্পিত নগরী গড়ে উঠবে।

সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম বাংলানিউজকে বলেন, ‘সেনাবাহিনীর সাথে এমওইউ স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে আগামী সোমবার থেকে চট্টগ্রামের সর্ববৃহৎ একক প্রকল্পের দুয়ার খুলবে।  ৫ হাজার ৬১৬ কোটি টাকার এ মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে নগরবাসী জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে মুক্তি পাবেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের ধারাবাহিকতা রক্ষা হলে আগামী ৫ বছরে উন্নয়নের মাধ্যমে চট্টগ্রাম আরও এগিয়ে যাবে।’

112 views

১৫-১০-২০২০, বৃহস্পতিবার, দেখছেন প্রতিদিনের রাতের সংবাদ LIVE | Cplus

১৫-১০-২০২০, বৃহস্পতিবার, দেখছেন প্রতিদিনের রাতের সংবাদ LIVE | Cplus ১৫-১০-২০২০, বৃহস্পতিবার, দেখছেন প্রতিদিনের রাতের সংবাদ LIVE | Cplus ১) নগরীর ...
View Full Story

ফটিকছড়িতে দুই সন্তানের জনককে ছুরিকাঘাতে হত্যা, আটক ২ | Cplus

ফটিকছড়িতে দুই সন্তানের জনককে ছুরিকাঘাতে হত্যা, আটক ২ | Cplus ====================================================== Subscribe Cplus TV: http://bit.ly/2MAb2Ny Subscribe Cplus TV প্রমিত রূপ: ...
View Full Story

বান্দরবানে চলমান সীমান্ত সড়কের কাজ শেষ হলে পার্বত্য জেলার নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী |

বান্দরবানে চলমান সীমান্ত সড়কের কাজ শেষ হলে পার্বত্য জেলার নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী | ====================================================== Subscribe Cplus TV: http://bit.ly/2MAb2Ny Subscribe ...
View Full Story

কাজীর দেউড়ির ছয়শ বছরের ঐতিহ্যবাহী মিরা পুকুর ভরাটের অভিযোগ | Cplus

কাজীর দেউড়ির ছয়শ বছরের ঐতিহ্যবাহী মিরা পুকুর ভরাটের অভিযোগ | Cplus ====================================================== Subscribe Cplus TV: http://bit.ly/2MAb2Ny Subscribe Cplus TV প্রমিত ...
View Full Story

How to Make a Successful YouTube Channel

How to Make a Successful YouTube Channel There is no doubt that the Internet overall and social media specifically have ...
View Full Story

| You may Portray All of your social stories from facebook, youtube, instagram, etc. . . .

Add Your Social Story

*Search & Select  your Keyword: ‘Social Story’ at Category/Tag box to Make New Post .
*please type in small letters(e.g my social story) at Category/Tag box for searching.


Hi Viewer,

You may add your Story ;

Visit & Add: SocialStory

Add your News,
Views,
Consciences,
Etc.
as mcbStory


mcb post icon

25,525 views
Authorization
*
*
Registration
*
*
*

© MCB | the OnenOnly Open Publishing Platform
| ✐ Publish NOW



You may add your Story ;

Visit & Add: SocialStory

Add your News,
Views,
Consciences,
Etc.
as mcbStory

+

How to Post on MCB ?
No SignUp,
Just LogIn with our open credentials:

Publish News, Views, Consciences, Etc. 

Pick any one to Publish:

#1 mcb

#2 MyCtgBangla

#3 mcbStory

#4 MyStory

#5 PEOPLEPRESS

#6 WerMCBzen

WerMCBzen

Power to Edit/Add/Improve any Post ! 

Visit  MCB Policy

:) Citizen Journalism :)

mcb post icon

*please keep in mind your post/page is always editable by the open online profile: WerMCBzen.

MCB is an Open Online Platform with a unique, one & only Open Online Profile – ‘WerMCBzen(wermcbzen)’ where you Possess the Power to Edit/Add/Improve any post or anybody’s content, but you should keep in mind, that Power always comes with some sort of responsibilities. So please be responsible by yourself to your Power.  It is made with Love for Lovable & Sensible People Only.

Edit: You're Empowered for Excellence !